নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারসহ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য ১০ দফা দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। শুক্রবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত মহাসমাবেশে দলটির আমীর চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম দাবিগুলো তুলে ধরেন।

ইসলামী আন্দোলনের ১০ দফা দাবি:

১. নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে জাতীয় সংসদ ভেঙে দিতে হবে।
২.  সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে।
৩. বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।
8. তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণের আগ পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে এবং নির্বাচনের দিন সেনাবাহিনীর হাতে বিচারিক ক্ষমতা দিতে হবে।
৫.  নির্বাচনে সব দলের জন্যে সমান সুযোগ তৈরি করতে হবে। রেডিও, টিভিসহ সব সরকারি-বেসরকারি গণমাধ্যমে সবাইকে সমান সুযোগ দিতে হবে এবং রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সব ধরনের হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
৬. দুর্নীতিবাজদের নির্বাচনে অযেগ্যে ঘোষণা করতে হবে।
৭. নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে।
৮.  রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জাতীয় সংহতি ও কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠায় জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির নির্বাচন ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে।
৯. কোটা সংস্কার অন্দোলন এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে গ্রেফতার ছাত্রদের মুক্তি এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।
১০.  গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে প্রণীত বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে হবে।

মহাসমাবেশে মুফতি রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি মুহাম্মদ সৈয়দ ফয়জুল করিম, মহাসচিব মাওলানা মাহবুবুর রহমান, মাওলানা ইউনুস আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক হাফেজ মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য হযরত মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী প্রমুখ।

 

 

 

মতামত দিন