।। আদর্শ নিউজ : মুফতী ইমরানুল বারী সিরাজী ।।

জাতীয় বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের আয়োজিত সভায় জমিয়তের মহাসচিব আল্লামা নূর হোছাইন কাসেমী বলেছেন, কোন পরাধীন জাতির জান-মাল ও ইজ্জত-আব্রু নিরাপদ থাকে না। এর বাস্তব প্রমাণ হচ্ছে রোহিঙ্গা মুসলমানেরা। আজ তাদের এসব মৌলিক অধিকারের কোন নিরাপত্তা নেই

উক্ত উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, এই দৃষ্টিকোণ থেকে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য আল্লাহর একটি বড় নেয়ামত। এখন এ নেয়ামত রক্ষায় দলমত নির্বিশেষে আমাদের সবাইকে আন্তরিক হতে হবে।

১৮ ডিসেম্বর পল্টনস্থ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় বিজয় দিবস উপলক্ষ্য জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ঢাকা মহানগর কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আল্লামা কাসেমী এ কথা বলেন।

উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসূফী বলেন, ইনসাফ যখন থাকেনা, মানুষ তখন নীরবতা ভঙ্গ করে গর্জে উঠে। মুক্তিযুদ্ধে তা-ই হয়েছিল। সুতরাং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি অঙ্গনে শতভাগ ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হলেই বহু কষ্টের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা অর্থবহ হবে।

কেন্দ্রীয় জমিয়তের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর জমিয়তের সভাপতি মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীর সভাপতিত্বে এবং মহানগর জমিয়তের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুফতী বশীরুল হাসান খাদিমানীর পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল কুদ্দস, মাওলানা হেদায়েতুল ইসলাম, মুফতী সলীমুল্লাহ খান, মুফতী ইমরানুল বারী সিরাজী, মাওলানা বুরহান উদ্দীন, মাওলানা বিনয়ামীন ও আব্দুল আহাদ মিয়াজী প্রমূখ।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেন, স্বাধীনতাপূর্ব বাংলাদেশে সরকারী যে সকল সুযোগ-সুবিধা থেকে তখনকার বাংলাদেশীরা বঞ্চিত ছিল, স্বাধীনতা অর্জনের এতকাল পরেও যদি বর্তমান বাংলাদেশী সাধারণ মানুষেরা ঐ সকল সরকারী সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিতই থাকেন, তাহলে এটাকে কোনভাবেই কার্যকর স্বাধীনতা বলা যায় না। সূতরাং সরকারী চাকুরীসহ সর্বক্ষেত্রে মেধাবী ও প্রতিভাবান প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া অপরিহার্য।

 


 

মতামত দিন