।। মিজানুর রহমান জামীল ।

আজ সকালে ঢাকার এক অভিজাত এলাকার আলিশান মসজিদের খতীবকে খৃস্টানরা তাদের প্রোগ্রামের আলোচক হিসেবে দাওয়াত দেয়। হুজুর আমার একান্ত রিলেটিভ হওয়ায় আমার কাছে তা ফাঁস করে দেন। যেহেতু এটা ছিল তাদের উদ্দেশ্য প্রণোদিত, তাই এখানে তাদের ব্যাপারে বাধ্য হয়ে “উল্লেখ” “বর্ণনা” “বলা” না ব্যবহার করে “ফাঁস” শব্দ প্রয়োগ করতে হলো।

হুজুরকে বললাম– ‘তারা কি আপনার আলোচনা ভিডিও করেছে?’

‘না!’

‘আলোচনা অবস্থায় আপনার ছবি তুলেছে?’

‘হ্যাঁ!’

বললাম– ভিডিও না হলেও আপনার এ নূরানী ছবি দিয়েই তারা কৌশলকেন্দ্রিক বাকী উম্মাহকে নিয়মিত বিভ্রান্ত করে ছাড়বে।

তারপর তিনি তাদের সেবা আর নম্রতার কথা হাইলাইট করেন। বাদ পড়েনি শ্রদ্ধা নিবেদন ও আপ্যায়ন পর্ব।

হুজুর সেখান থেকে আসার পর আমার কথা শুনে আপাতত এক প্রকার হতাশ। মূল কথা হলো– তারা অনেক আগ থেকেই বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলকে সেবা ও বিনয়ের চাদর দিয়ে ঢেকে ফেলা শুরু করেছে। এ চাদর এখন সাধারণ সমাজ থেকে নিয়ে মসজিদ এবং কাওমী অঙ্গনে প্রসারিত হওয়া শুরু করেছে।
জানিনা সামনে আর কত ঘটনা দেখতে হয়!
কত হালতের সম্মুখীন হতে হয়!!
কত ইরতিদাদের পৃষ্ঠা উল্টাতে হয়!!!

আপনার আমার সচেতন হওয়ার আগে তারা আপন সেবাকে উম্মাহর বিশ্বাসের উপর চাপিয়ে দিয়েছে। ফলে আমরা শত্রুর তালিকা থেকে তাদের নাম কর্তন করে বন্ধু ভাবতে শুরু করেছি‌। বস্তুত কেউ আমাদের মারেনি; আমরাই তাদের এ নীতিভ্রষ্ট ভাবনা এবং অশুভ চিন্তার পদাঘাতে মারা পড়েছি। সভ্যতার এই কঠিন সময়ে যদি নিবেদিতপ্রাণ একজন মুনশি মেহেরুল্লাহ না তৈরি হন; বিশ্বকোষের প্রাণপুরুষ একজন আবু সাইদ মুহাম্মাদ ওমর আলী আগমন না করেন এবং রওশনে নদওয়ার একজন মুহাম্মাদ আলী মুঙ্গেরী না আসেন, তবে এ পরিস্থিতি সামাল দেবে কে…..?

.

——————————–

লেখকের ফেসবুক টাইম লাইন থেকে

মতামত দিন