মাত্র এক বছরেই পবিত্র কুরআন মুখস্থ করেছে ৯ বছর বয়সী কুরআনের পাখি শিশু মুহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক। লক্ষ্মীপুর জেলা শহরে প্রতিষ্ঠিত হযরত ফারুকে আ’যম (রাঃ) তাহফিজুল কুরআন মাদরাসার একজন ছাত্র সে। এখানে অধ্যয়নরত অবস্থায় সে পবিত্র কুরআন মুখস্থ  করে। এরআগে আল মুঈন একাডেমীতে কোরআন শিক্ষা শুরু হয় তার।

হাফেজ মুহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক সদর উপজেলার বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের হোগলডহরী গ্রামের মাওলানা মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন এর দ্বিতীয় ছেলে।

গত রোববার (৭ অক্টোবর) দুপুরে মাওলানা বেলায়েত হোসেন বলেন, একজন আমলওয়ালা কুরআনে হাফেজের সঙ্গে ১০জন মানুষ বেহেশতে যেতে পারেন। তাই সন্তানকে কুরআনে হাফেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা প্রত্যেক মা-বাবার উত্তম কর্তব্য।

অন্যান্য অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়ে তিনি আরো বলেন, আল কুরআন মুখস্থ করার পর অন্য যেকোনো বিষয়ে পড়ালেখার সুযোগ রয়েছে। নিয়মিত সন্তানের খোঁজখবর ও তার পড়ালেখার বিষয়ে যত্নশীল হউন। আল্লাহর রহমতে অল্প সময়ের মধ্যে আপনার সন্তানও আল কুরআন মুখস্থ করে একজন পরিপূর্ণ হাফেজ হয়ে উঠবে, ইনশাআল্লাহ।

হযরত ফারুকে আ’যম (রাঃ) তাহফিজুল কুরআন মাদরাসার পরিচালক মুফতী বশীর আল হেলাল বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরআন শিখেছে এবং সে অনুযায়ী আমল করেছে তার মাতা-পিতাকে কিয়ামতের দিন এমন একটি মুকুট পরিধান করানো হবে; যার আলো সূর্যের আলোর চেয়েও উজ্জ্বল হবে (আবু দাউদ)। আল কুরআন হলো পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ, যার প্রতিটি শব্দ আল্লাহর বাণী। আমি মনে করি, জীবনের প্রথম শিক্ষা হিসেবে সন্তানকে আল কুরআন শিক্ষা দেওয়া প্রত্যেক বাবা-মায়ের কর্তব্য এবং এটাই করা উচিত।

 

মতামত দিন