আব্দুল আজিজ ইবনে শফিক

 

রেখে আসা দিনগুলোর গ্লানীকে মুছে ফেলে ও দুঃখ-কষ্ট ভুলে গিয়ে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন বছরের শুরুর সময়টার গুরুত্ব রয়েছে। মুসলিম হিসেবে হিজরি নববর্ষ উদযাপন কিংবা মুসলিমদের গৌরবের দিনটি পালনের ঐতিহ্য আমাদের সংস্কৃতিতে ব্যাপকতা লাভ করেনি। আমরা অনেকেই জানি না যে, মুসলিমদের নববর্ষ কোন মাসে হয়? আবার কেউ হয়ত বা হিজরি বর্ষ গণনার সঠিক ইতিহাস জানেন না। হিজরি সনের তারিখের খবরও রাখেন না। এর প্রতি মানুষ আকর্ষণও অনুভব করেন না। যা খুবই দুঃখজনক। বাংলা ও ইংরেজি নববর্ষে আমাদের দেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন তথা কর্মসূচি পালিত হয়ে থাকে। আরবি নববর্ষের অনেক গুরুত্ব ও তাৎপর্য থাকা সত্ত্বেও উল্লেখ করার মতো কোনো কর্মসূচি পালন করা হয় না বললেই চলে। হিজরি সনের সম্পর্ক চাঁদের সঙ্গে। এ জন্য এটাকে চন্দ্র বর্ষও বলা হয়। যেহেতু চাঁদ দেখার সঙ্গে হিজরি মাসের সম্পর্ক এ জন্য গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ইবাদতের সময় সরকারিভাবে চাঁদ দেখার ঘোষণা দেয়া হয়।

হিজরি সনের গুরুত্ব: আজ হিজরি নববর্ষ। হিজরি বছরের প্রথম মাস মহাররম মাস শুরু হলো আজ। আজ পহেলা মহাররম। ইসলামী বর্ষ পঞ্জির প্রথম মাসের পথম দিন। ১৪৩৯ হিজরি সনকে বিদায় জানিয়ে শুরু হলো ১৪৪০ হিজরি বর্ষের পথচলা। ইসলামে এদিনটি মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এক বিশেষ স্মারক। হিজরি সন এমন একটি সন, যার সাথে মুসলিম উম্মাহর তাহজিব-তামাদ্দুন ও ঐতিহ্যের ভিত্তি সম্পৃক্ত। মুসলমানদের রোজা, হজ, ঈদ, শবেবরাত, শবেকদর, শবেমেরাজসহ ইসলামের বিভিন্ন বিধি-বিধান হিজরি সনের ওপর নির্ভরশীল। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও আনন্দ-উৎসবসহ সব ক্ষেত্রেই মুসলিম উম্মাহ হিজরি সনের অনুসারী। যেসব উপাদান মুসলিম উম্মাহকে উজ্জীবিত করে তন্মধ্যে হিজরি সন অন্যতম। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কৃষ্টি-কালচারে হিজরি সনের গুরুত্ব অপরিসীম। হিজরি সন গণনার সূচনা হয়েছিল ঐতিহাসিক এক অবিস্ময়রণীয় ঘটনাকে উপলক্ষ করে। রাসুল (সা.) এবং তাঁর সঙ্গী-সাথীবর্গের মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখার জন্যই আরবি মহররম মাসকে হিজরি সনের প্রথম মাস ধরে সাল গণনা শুরু হয়েছিল। আল্লাহর নির্দেশ পালনার্থে তথা দ্বীনের স্বার্থে পবিত্র মক্কা থেকে মদিনায় রাসুল (সা.) এবং সাহাবায়ে কেরামগণের হিজরতের বছর থেকেই হিজরি সনের সূচনা।

হিজরি সনের ইতিহাস : হিজরি সন হল মুসলিমদের সন। ৬২২ খ্রীষ্টাব্দের ১২ই সেপ্টেম্বর আল্লাহর নির্দেশে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা হতে মদীনায় হিজরত করেন। মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ৬২২ খ্রীষ্টাব্দের ১৪ বা ১৫ জুলাইয়ের সূর্যাস্তের সময়কে হিজরি সন শুরুর সময় হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। হিজরি সন ১৭ হিজরি সাল (৬৩৮ খ্রীষ্টাব্দ) হতে তৎকালীন মুসলিম বিশ্বের শাসক হযরত ওমর (রাঃ) – এর শাসন আমলে হিজরি সন গণনা শুরু হয়। হযরত ওমর (রাঃ) এর কাছে ইরাক ও কুফার প্রশাসক আবু মুসা আশ‘আরী (রাঃ) এক চিঠিতে লেখেন, “বিশ্বাসীদের নেতা আপনার পক্ষ হতে আসা শাসন কার্যের সাথে সংশ্লিষ্ট উপদেশ, পরামর্শ এবং নির্দেশ সম্বলিত বিভিন্ন চিঠিপত্র ও দলিলে কোন সন-তারিখ না থাকায় আমরা তার সময় ও কাল নির্ধারণে যথেষ্ট সমস্যার সম্মুখীন হই। অধিকাংশ সময় এসব নির্দেশনার সাথে পার্থক্য করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে বলে আপনার নির্দেশ ও উপদেশ পালন করতে যেয়ে বিভ্রান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে।” এ গুরুত্বপূর্ণ পত্র পাওয়ার পর হযরত ওমর (রাঃ) মুসলিম বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের নিয়ে এক পরামর্শ সভার আয়োজন করেন। পরামর্শ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর মদীনায় হিজরত করার ঐতিহাসিক দিন থেকে নতুন একটি সন তৈরী করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। হিজরতের ঘটনাকে স্মরণ করে হিজরি সন শুরু করার কারণ হলো, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর মদীনায় হিজরত করার মাধ্যমে ইসলাম প্রসার লাভ করে, মুসলিমদের সংখ্যা বাড়তে থাকে, মুসলিমদের শক্তিমত্তা বাড়তে থাকে, ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে, ইসলাম বিজয়ী শক্তিতে পরিণত হয় এবং ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠিত হয়। তাছাড়া আল্লাহ তা’য়ালা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হিজরতের কথা গুরুত্বের সাথে কুরআনে উল্লেখ করেছেন। হিজরতের ঘটনাকে স্মরণ করে বানানো হয়েছে বলে এ সনকে হিজরি সন বলা হয়।

বাংলাদেশে হিজরি সনের আবির্ভাব : ইসলাম প্রচারের সাথে সাথেই বাংলাদেশে হিজরি সনের প্রচলন ঘটেছে। বাংলাদেশে ১২০৪ খ্রীষ্টাব্দ হতে সর্বক্ষেত্রে হিজরি সন ব্যবহার শুরু হয় (তবাকাতে নাসিরী)। উপমহাদেশে প্রায় ৫৫০ বৎসর রাষ্ট্রীয়ভাবে এই হিজরি সন স্বীকৃত ছিল। ইংরেজ শাসনকালে আমাদের দেশে কুফরী রাষ্ট্রীয় সনের প্রচলন হয় (১৭৯০ সাল হতে) যা আজও আমরা অন্ধের মতো ব্যবহার করছি।

হিজরি সনের তাৎপর্য : হযরত ওমর (রাঃ) তার খেলাফতকালের চতুর্থ বছর (৬৩৮ খ্রীষ্টাব্দ) হতে হিজরি বর্ষ পদ্ধতিগত গণনার ভিত্তিতে প্রসার ও প্রচলন শুরু করেন। এ সময থেকেই ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক এবং আদর্শগত ঐতিহ্যের প্রেক্ষিতে মুসলিমরা মুহাররম মাস দ্বারা বর্ষ গণনা শুরু করেন। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ও ধর্মীয় চিন্তা-চেতনায় হিজরি সনের প্রভাব সর্বাধিক। এতদসত্ত্বেও দুঃখজনক সত্য হচ্ছে, আমরা অনেকেই অবগত নই যে, মুহাররম মাস ইসলামী নববর্ষ -আনন্দের দিন। কেননা ইসলামের ঘটনাবহুল ইতিহাসের একটি অতি তাৎপর্যমণ্ডিত ঘটনাকে স্মরণীয রাখার দিনটি হচ্ছে মুহাররম মাস। বিশ্বের মুসলিমদের কাছে ইসলামী সন হিসেবে হিজরি সন অতি পবিত্র ও অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। শুধুমাত্র এই একটি সালেই সমগ্র বিশ্বে সর্বত্র সমানভাবে সমাদৃত। মুসলিমদের কাছে হিজরি সন বিশেষ তাৎপর্যমণ্ডিত সন। আল্লাহ তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নবুওয়াত দান করলেন। তিনি ইসলামের দাওয়াত দেওয়া শুরু করলেন। তখন থেকেই রাসূল (সাঃ) এর একান্ত আপন জনেরা দূরে সরে যেতে লাগল। সবাই তার বিরোধীতা করতে লাগল। অল্প কিছু লোক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করল। গোপনে গোপনে তিন বছর দাওয়াত দিলেন। এর পর আল্লাহর নির্দেশে সাফা পাহাড়ে প্রাকশ্যে এক আল্লাহর উপর ঈমান আনয়নের ঘোষণা করে ছিলেন। তখন থেকেই আরম্ভ হলো নির্যাতন। পথে-প্রান্তে তাকে অপমানিত, লাঞ্ছিত করা হতো। নামাযরত অবস্থায় উটের নাড়ী-ভুড়ি তাঁর পিঠের উপর চাপিয়ে দেয়া হতো। গমনা-গমনের পথে কাঁটা বিছিয়ে রাখা হতো। শিয়াবে আবু তালিব নামক স্থানে দীর্ঘদিন বন্দী করে রাখা হলো। এরপর তার সাহাবীদের উপর অমানুষিক নির্যাতন করা হলো। কাফেররা নবীজীকে শারীরিক নির্যাতন করে দাওয়াত থেকে বিরত করতে পারল না। তখন তারা মানুষিক নির্যাতন করার জন্য নানা রকম ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করতে লাগল। তারা তাকে পাগল, কবি, জাদুকর ইত্যাদি বলে অপপ্রচার করতে থাকলো। কিন্তু কিছুতেই কোন কাজ হলো না। একদিন তারা ‘দারুন নদওয়া’ নামক তাদের মন্ত্রণাগৃহে একটি বৈঠক করলো। সেখানে তারা সিদ্ধান্ত নিল মুহাম্মদ -কে দুনিয়া হতে সরিয়ে দেওয়ার। সবাই এই সিদ্ধান্ত সমর্থন করলো। মক্কার শক্তিশালী লোকেরা একত্রিত হয়ে শপথ নিয়ে বের হলো। মুহাম্মদ (সাঃ) এর বাড়ি ঘেরাও করে তাকে হত্যা করবে।( নাউযুবিল্লাহ!!) আল্লাহ তা’য়ালা ইসলাম প্রচারের সুবিধা ও মুসলিমদের কথা ভেবে মক্কা থেকে মদীনায় দেশান্তরিত হবার আদেশ দেন। এই দেশান্তরিত হওয়াকেই আরবিতে হিযরত বলে। সে দিন ছিল ১২ই সেপ্টেম্বর ৬২২ খ্রীষ্টাব্দ। আল্লাহর এই ঘোষণা পাওয়ার পর রাতের অন্ধকারে নিজ বিছানায় হযরত আলী (রাঃ) কে রেখে মদীনার পথে রওয়ানা দিলেন। পরবর্তিতে এই ঐতিহাসিক দিনটিকে হযরত ওমর (রা.) তারিখ গণনা করার জন্য নির্ধারণ করেন।

আমাদের শিক্ষা: সকাল যায় দুপুর আসে আর বিকাল যায় রাত পোহাই। শৈশব, কৈশোর, প্রথম যৌবন, মধ্য যৌবন, পরিণত যৌবন এবং আজকে এই পড়ন্তবেলায় দাঁড়িয়ে আশিবছরের বৃদ্ধ দাদা যখন অতীত নিয়ে ভাবেন তখন তাঁর প্রকাশ্য জীবনের আলো -অন্ধকার অতীত নিয়ে তিনিই ভালো জানেন। কী করে তিনি দিনাতিপাত করেছেন।

সুন্দর জীবন কার? এই বিষয়ে জীবন বিশেষজ্ঞ নবী -সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করা হলে উত্তরে তিনি বলেন, “যার হায়াত দীর্ঘ হওয়ার সাথে সাথে আমল কর্মজীবনও ভালো হবে সেই উত্তম ব্যক্তি।” অর্থাৎ শরীয়ত সম্মত জীবনাচারে জীবনকে অতিবাহিত করা।

গতবছর ( ১৪৩৯ হিঃ) আমার কেমন গেলো তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা। আমি কি ভালো কাজ করে মূল্যবান সময় অতিবাহিত করেছি, না আজে-বাজে কাজে, গল্প-গুজব আর অযথা সময় নষ্ট করে সময় কাটিয়েছি?
সুন্দর লেনদেনে কি আমার আয়ব্যয় হয়েছে? না অসুন্দর হাতে, সুদ ঘোষ আর কালোবাজারিতে আমার ইনকাম হয়েছে? প্রবাসে নিবাসে, বরেণ্য বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বলে বলিয়ান হয়ে কি আমি অবৈধ পন্থায় চোরাচালানী আর কালোবাজারী করে গতবছরকে সুন্দরতম বিদায় দিয়েছি? কী করে আমরা অতীতের সময়কে বিদায় দিয়েছি তা নিজেরাই ভালো জানি। আগামীকে ভালো, পবিত্র আর সুন্দর করার প্রত্যয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই।

প্রসিদ্ধ সাহাবী আব্দুল্লাহ  ইবনে মাসউদ রা. বলেন, “আমার সবচে আফসোস ও পরিতাপ হয় এমন দিনের জন্য, যেদিনের সূর্য ডুবে গেল, অথচ সেদিনে আমার নেক আমল বৃদ্ধি পেল না।”

তাবেয়ী হাসান বসরী রহ. বলেন, “হে আদম সন্তান! তুমি তো ক’দিনের সমষ্টি মাত্র। সুতরাং যখন একটি দিন অতিবাহিত হয়ে গেল তখন তোমার জীবনের একাংশ হারিয়ে গেল।”

তিনি আরো বলেন, “আমি এমন অনেক ব্যক্তির সাহচর্য পেয়েছি, সময় সংরক্ষণে যাদের আগ্রহ, তোমাদের ধন- সম্পদ সংরক্ষণের আগ্রহের চেয়ে বেশি ছিল।”

হিজরি সনকে চন্দ্রমাসও বলা হয়। চন্দ্রমাসের প্রভাব মুসলমানদের জীবনে ব্যাপক। জীবনের সব ক্ষেত্রেই এর প্রভাব ও গুরুত্ব রয়েছে। বিশেষত ইবাদতের তারিখ, ক্ষণ ও মৌসুম নির্ধারণের ক্ষেত্রে হিজরি সনের প্রভাব ও গুরুত্ব অপরিসীম। একারণে হিজরি সনের হিসাব স্মরণ রাখা মুসলমানদের জন্য জরুরি। অনেক ক্ষেত্রেই এর প্রভাব রয়েছে। যেমন রমযানের রোযা, দুই ঈদ, হজ্ব, যাকাত ইত্যাদি ক্ষেত্রগুলোতে চন্দ্রবর্ষ বা হিজরি সন ধরেই আমল করতে হয়। রোযা রাখতে হয় চাঁদ দেখে, ঈদ করতে হয় চাঁদ দেখে। এভাবে অন্যান্য আমলও। এমনকি স্বামীর মৃত্যুর পর মহিলাদের ইদ্দতের ক্ষেত্রগুলোতেও চন্দ্রবর্ষের হিসাব গণনা করতে হয়। অর্থাৎ মুসলমানদের ধর্মীয় কতগুলো দিন-তারিখের হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্র রয়েছে, সেগুলোতে চাঁদের হিসাবে দিন, তারিখ, মাস ও বছর হিসাব করা আবশ্যকীয়।
রাসূলুল্লাহর সাঃ এর হিজরতের প্রেক্ষাপট ও পটভূমি যদি হিজরি নববর্ষে স্মরণ করা হয় তাহলে মুসলিম ভাই-বোনরা ইসলামী সাংস্কৃতির সাথে পরিচিত হতে পারবে। তখনই কেবল ইসলামি সাংস্কৃতি বিমুখ হৃদয় পরিবর্তিত হয়ে ইসলামি হৃদয়ে পরিণত হবে। তাই আমাদের উচিত রাসূল (সা.)-এর হিজরতের তাৎপর্য স্পষ্টভাবে জনসম্মুখে তুলে ধরা। আসুন, আমরা আমাদের অতীতকে ভাবনায় রেখে তাওবা ইস্তিগফারের মাধ্যমে ভবিষ্যৎকে গ্রহণ করি। আল্লাহ আমাদের সকলকে সেই তাওফীক দান করুন। আমীন।
লেখক: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, অনার্স (অধ্যয়নরত), ঢাকা কলেজ, ঢাকা।

মতামত দিন